কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি- ২০২১

কারিগারি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিশাল বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। নিচে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এর অধীনে জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমী বগুড়া রাজস্ব খাতে স্থায়ী অস্থায়ী পদে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে নিম্নবর্ণিত শর্তে উল্লিখিত পদের বিপরীতে যোগ্যতা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বাংলাদেশী নাগরিকদের নিকট হতে আবেদনপত্র আহবান করা যাচ্ছে:


টেকনিক্যাল এডুকেশন ক্ষেত্রে 23 টি পদে 32 জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে নিচে সম্পূর্ণ জব সার্কুলার দেওয়া হয়েছে।

আবেদন প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়স সীমা 18 থেকে 30 বছরের মধ্যে হতে হবে তবে মুক্তিযোদ্ধার পুত্র কন্যা এবং প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা 32 বছর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য হবে সরকারি আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি রত প্রার্থীকে অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

মৌখিক পরীক্ষার সময় সকল সনদের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের হিসেবে চেয়ারম্যান বা পৌরসভার মেয়র সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক সনদ এবং প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি থাকলে করতে হবে এবং অন্যান্য কোটার ক্ষেত্রে সকল সনদ পত্র দাখিল করতে হবে।

অনলাইনে আবেদন শুরুর তারিখ: ১০/০৩/২০২১ 
অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ: ০৮/০৪/২০২১

সকল প্রার্থীগণ http://nactar.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

অনলাইনে আবেদন করার ৭২ ঘন্টার মধ্যে পরিক্ষার ফি জমা দিতে হবে।

See more details official job news



Other topic

(প্রথম দৃশ্য) [মড়লের অসুখ। বিছানায় শুয়ে ছটফট করছে। কবিরাজ মােড়লের নাড়ি পরীক্ষা করছে। মােড়লের আত্তীয় হাসু মিয়া আর মােড়লের বিশ্বাসী চাকর রহমত আলী অসুখ নিয়ে কথা বলছে।

হাসু : রহমত, ও রহমত আলী। রহমত শুনছি।

ভালাে করে শােননা, ঐ কবিরাজ যতই নাড়ি দেখুক, তােমার মােড়লের নিস্তার নাই। রহমত অমন ভয় দেখাবেন না। তাহলে আমি হাউমাউ করে কাঁদতে লেগে যাব।

কাঁদ, মন উজাড় করে কাঁদ। তােমার মােড়ল একটা কঠিন লােক। আমাদের সুবর্ণপুরের মানুষকে বড় জ্বালিয়েছে। এর গরু কেড়ে, তার ধান লুট করে তােমার মােড়ল আজ ধনী। মানুষের কান্না দেখলে হাসে।

রহমত : তাই বলে মােড়লের ব্যারাম ভালাে হবে না কেন? হাসু হবেই না তাে। মােড়ল যে অত্যাচারী, পাপী। মনের মধ্যে অশান্তি থাকলে ওষুধে কাজ হয় না। দেখে নিও, মােড়ল মরবে।

রহমত : আর আজে-বাজে কথা বলবেন না। আপনি বাড়ি যান!

কবিরাজ : এত কোলাহল করাে না। আমি রােগীর নাড়ি পরীক্ষা করছি। রহমত : ও কবিরাজ, নাড়ি কী বলছে! মােড়ল বাঁচবে তাে! কবিরাজ : মূর্খের মতাে কথা বল না। মানুষ এবং প্রাণী অমর নয়। আমি যা বলি মনােযােগ দিয়ে তাই শ্রবণ কর।

হাসু : আমাকে বলুন। মােড়ল আমার মামাতাে ভাই।

রহমত ; মােড়ল আমার মনিব।

কবিরাজ : এই নিষ্ঠুর মােড়লকে যদি বাঁচাতে চাও, তাহলে একটি কঠিন কর্ম করতে হবে। হাসু। : বাঘের চোখ আনতে হবে?

কবিরাজ: আরও কঠিন কাজ।

রহমত : হিমালয় পাহাড় তুলে আনব? কবিরাজ : পাহাড়, সমুদ্র, চন্দ্র, নক্ষত্র কিছুই আনতে হবে না।

মােড়ল : আর সহ্য করতে পারছি না। জ্বলে গেল। হাড় ভেঙে গেল। আমাকে বাঁচাও। কবিরাজ : শান্ত হও। ও রহমত, মােড়লের মুখে শরবত ঢেলে দাও।

(রহমত মােড়লকে শরবত দিচ্ছে।)

হাসু : ঐ মােড়ল জোর করে আমার মুরগি জবাই করে খেয়েছে। আমি আজ মুরগির দাম নিয়ে ছাড়ব।

মােড়ল : ভাই হাসু এদিকে এস, আমি সব দিয়ে দেব। আমাকে শান্তি এনে দাও।

কবিরাজ : মােড়ল, তুমি কি আর কোনােদিন মিথ্যা কথা বলবে?

মােড়ল : আর বলব না। এই তােমার মাথায় হাত রেখে প্রতিজ্ঞা করছি, আর কোনােদিন মানুষের ওপর ।

জবরদস্তি করব না। আমাকে ভালাে করে দাও।

কবিরাজ : লােভে পাপ, পাপে মৃত্যু। আর কোনােদিন লােভ করবে?

মােড়ল : না। লােভ করব না, অত্যাচার করব না। আমাকে শান্তি দাও। সুখ দাও।

কবিরাজ ; তাহলে মনের সুখে শুয়ে থাক, আমি ওষুধের কথা চিন্তা করি।

মােড়ল : সুখ কোথায় পাব? আমাকে সুখ এনে দাও।

: অন্যের মনে দুঃখ দিলে কোনােদিন সুখ পাবে না।

মােড়ল: আমার কত টাকা, কত বড় বাড়ি! আমার মনে দুঃখ কেন?

No comments

Theme images by chuwy. Powered by Blogger.