বৈদ্যুতিক আর্থিং কত প্রকার ও কী কী | Electrical Earthing

একটি আর্থিং স্থাপনা পরীক্ষার পদ্ধতি: যে কোন বৈদ্যুতিক স্থাপনার আর্থিং এর কাজ শেষ হলে তা যথােপযুক্ত হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা নিরীক্ষা করার দরকার হয়। আর্থিং যথাযথভাবে করা না হলে বা যেখানে আর্থ ইলেকট্রোড পুঁততে হয় সে স্থানের আর্থ রেজিস্ট্যান্স কাক্ষিত মানের না হলে উক্ত আর্থিং যে উদ্দেশ্যে করা হয় তা সফল হয় না। আর্থিং সঠিক হয়েছে কিনা বা আর্থ রেজিস্ট্যান্স ঠিক মানে আছে কিনা তা জানার জন্য নিম্নলিখিত পরীক্ষা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।


(১) টেস্ট ল্যাম্প পদ্ধতি ।

(২) বৈদ্যুতিক ঘণ্টা পদ্ধতি এবং

(৩) আর্থ টেস্টার বা মেগারু আর্থ টেস্টার পদ্ধতি,


এ পদ্ধতি আবার চার প্রকার। যথা :

(ক) দু’পয়েন্ট পদ্ধতি (Two Points Method)

(খ) তিন পয়েন্ট পদ্ধতি (Three Ponts Method)

(গ) বিভব পতন পদ্ধতি (The fall of Potential Method)।

(ঘ) আর্থ টেস্টিং ইনস্ট্রমেন্টের সাহায্যে সরাসরি পরিমাপ পদ্ধতি।


সমান্তরাল গর্ত করে স্থাপন করতে হবে । স্ট্রিপ আর্থিং এ তামাৰ সিপ ব্যবহার করলে স্ট্রিপের সাইজ হবে কমপক্ষে 25 mm x 1.69 rnrn এবং গ্যালভানাইজড স্টিলের ৰা লােহার স্ট্রিপ ব্যবহার করা হলে সাইজ হবে 25mm x 1.69 mm এবং গ্যালভানাইজড স্টিলের বা লােহার পরিবাহী ব্যবহার করা হলে 25 সাইজের নিচের স্ট্রিপ ব্যবহার করা যাবে না।

পাথুরে পাহাড়ি এলাকায় যেখানে প্লেট আর্থিং এর জন্য গভীর গর্ত করা সম্ভব না হয় সেখানে স্ট্রিপ আর্থিং করা হয়।


রড আর্থিং (Rod Earthing); যে আর্থিং এ শক্ত টিপ এবং ড্রাইভিং ক্যাপসহ একটি ধাতব রডকে মাটির মধ্যে পুতে ইলেকট্রোড হিসাবে ব্যবহার করা হয় তাকে রড আর্থিং বলে । নিম্নে চিত্রের আর্থিং রড দেখানাে হলাে : আর্থিং রড় আর্থিং রড যদি ইস্পাতের তৈরি হয় তবে তার ব্যাস 16mm আর যদি রড় তামার তৈরি হয় তবে রডের ব্যাস 12.5 mm হয় এবং রডের দৈর্ঘ্য মাটির রেজিস্টিভিটির উপর নির্ভর করে কিন্তু কোন অবস্থাতেই 2.5 মিটারের কম হবে না।


পাথুরে পাহাড়ি মাটিতে তে-পায়া, বিশিষ্ট আর্থিং রড ব্যবহার করা হয়। পাথুরে জায়গায় রড ইলকট্রোডকে শােয়ানো অবস্থায় মাটিতে পুঁতলে ভাল ফল পাওয়া যায় । রডকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে মাটির ভেতর পোঁতা হয়। Earh রেজিস্ট্যান্স কমানাের জন্য দুটো রডকে জোড়া দিয়ে ইলেকট্রোডের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করা হয় এবং হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে রডকে মাটির মধ্যে খাড়াভাবে পুঁতে দিতে হয়।


যে সমস্ত এলাকার মাটি বালুযুক্ত সে সকল স্থানে এ আর্থিং সুবিধাজনক। যেহেতু রড় পপতার জন্য মাটি খুঁড়ার প্রয়ােজন হয় না তাই এ পদ্ধতিতে খরচ কম পড়ে। রড আ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাভুক্ত বাড়িঘরে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়। পরিবহন ও বিতরণ লাইনের টাওয়ার ও আর্থিং করার জন্য এ পদ্ধতি যথেষ্ট উপযােগী।


পাইপ আর্থিং: যে ধরনের আর্থিং এ আর্থ ইলেকট্রোড হিসেবে জিআই পাইপ ব্যবহার করে বাড়ি বা কলকারখানার ওয়্যারিং, বিশেষ করে বড় বড় বৈদ্যুতিক স্থাপনা, সরবরাহ লাইনের নিউট্রাল তার প্রভৃতি আর্থিং করা হয় তকে পাইপ আর্থিং বলে। লাইন বড়ি হলে পাইপের ভেতর দিয়ে কি পরিমাণ কারেন্ট আর্থ তারের মধ্য দিয়ে মাটিতে যাবে, আর গর্তের ভেতরের মাটি কী ধরনের হবে তার উপর পাইপের আয়তন নির্ভর করে।


স্যাতে স্যাত মাটিতে আর্থিং এর ক্ষেত্রে পাইপের দৈঘ্য কমপক্ষে ৩ মিটার আর ব্যাস 38.1 মিলিমিটার হবে। আর যদি মাটি খুব শক্ত বা পাহাড়ি হয় তবে পাইপের দৈর্ঘ্য। হবে ) 25 মিটার। পাইপের ভেতরের অংশের সাথে যাতে পাইপের বাইরের মাটির ভেতর যাতে ভালভাবে সংযােগ। হয় সেজন্য পাইপের গায়ে সমান দূরে দূরে 12 মিলিমিটার ব্যাসের কতগুলাে ছিদ্র করা থাকে। গর্তের মধ্যে খাড়াভাবে। পাইপ বসিয়ে পাইপের নিচের অংশ যাতে সর্বদা ভেজা মাটির সংস্পর্শে থাকতে পারে সে রকম বন্দোবস্ত করতে হবে। এজন্য মাটির ভেতর যতটা গভীরে ভেজা মাটি পাওয়া যায় ততদূর পর্যন্ত গর্ত খোড়া প্রয়ােজন।


গর্তের গভীরতা 4.75 মিটার হওয়া উচিত। তবে এর আগেই যদি যথেষ্ট ভিজা মাটি পাওয়া যায়, তবে গর্তের গভীরতা কিছুটা কম হলেও চলে। পাইপের নিচের দিকে 15 সে.মি. পর্যন্ত জায়গা কাঠ কয়লা আর লবণ দিয়ে ঢেকে দেয়া দরকার। এতে একদিকে যেমন কাঠকয়লা, পাইপ আর মাটির মধ্যে সংযােগের আয়তন বৃদ্ধি করে, অন্যদিকে তেমনি লবন আর্থ রেজিস্ট্যান্স কমিয়ে দেয়। গর্তের মধ্যে প্রথমস্তরে লবন আর দ্বিতীয় স্তরে কাঠকয়লা আবার তৃতীয় স্তরে লবন আর চতুর্থ স্তরে কাঠকয়লা এভাবে পর পর সাজানাে হয়।


গ্রীষ্মকালে মাটির আদ্রতা অনেকটা কমে যায় বলে আর্থ রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়। তখন যাতে গর্তের মধ্যে কয়েক বালতি পানি ঢেলে দিয়ে মাটিকে সঁাত সাতে করে আর্থ রেজিস্ট্যান্স কমানাে যায় এমন ব্যবস্থা রাখতে হয়। এ উদ্দেশ্যে আর্থ ইলেকট্রোড়ের মাথায় সকেটের সাহায্যে 19.05 মিলিমিটার ব্যাসের একটি জিআই পাইপ বসিয়ে তার উপর একটি ফানেল বসানাে হয় ।


ফানেলের মুখ তারের জালি দিয়ে ঢেকে দিতে হয় যাতে শক্ত কোন জিনিস ভিতরে ঢুকে পাইপের মুখ বন্ধ করে ফেলতে না পারে। যেখানে গ্যালভানাইজড আয়রনের পাইপ দিয়ে আর্থ করা হয়, সেখানে গ্যালভানাইড তার বা পাত (Strip) আর্থের তার। হিসাবে ব্যবহার করতে হয়। নিচের চিত্রে পাইপ আর্থিং এর নকশা দেখানাে হলাে :


 বৈদ্যতিক স্থাপনার কোথাও কোন ত্রুটি দেখা দিলে সর্বোচ্চ কত কারেন্ট প্রবাহিত হবে তা হিসাব করে সে । আর্থ কনটিনিউইটি কন্ডাক্টরের সাইজ নির্ধারণ করতে হয়। তবে সাধারণত আর্থ তারের প্রস্থচ্ছেদ 0.645 বর্গ । হয়ে থাকে। আর্থ ইলেকট্রোডের উপরে 19.05 সে.মি ব্যাসের যে লােহার পাইপটি বসানাে হয় তার সঙ্গে এক চা সংযুক্ত করে মাটির প্রায় 60 সে.মি.নিচে 12.7 সে.মি. ব্যাসের G.I পাইপের মধ্য দিয়ে আর্থের তারকে আবি, বাসবার বা মেইন সুইচে নিয়ে আসা হয়। পরে অন্যান্য যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জাম আর্থ করার জন্য যখন আর্থের তারকে। এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখনও এমন ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হয় যাতে বাইরে থেকে তাবে কোন আঘাত লাগতে না পারে।


প্লেট আর্থিং (Plate Earthing) :

আর্থিং এর যে পদ্ধতিতে গ্যালভানাইজড আয়রন বা তামার প্লেটকে আর্থ ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহার করে আর্থিং করা হয় তাকে প্লেট আর্থিং বলে । আর্থ ইলেকট্রোড হিসাবে তামার প্লেট ব্যবহার করা হলে তার মাপ কমপক্ষে 60cm x 60cm x 3.18mm হতে হবে আর গ্যালভানাইড আয়রন প্লেট ব্যবহার করা হলে তার সাইজ হবে 60cm x 60cm x 6.35mm ।


আর্থ ইলেকট্রোড হিসাবে কপার প্লেট ব্যবহার করা হলে তার সাথে কপার তার ব্যবহার করতে হবে আর আর্থ ইলেকট্রোড হিসেবে গ্যালভানাইড আয়রন প্লেট ব্যবহার করা হলে তার সাথে গ্যালভানাইজড তার ব্যবহার করা হয়। আর্থিং করার সময় প্লেটকে এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যেন আর্থিং প্লেট খাড়াভাবে বসানাে থাকে এবং প্লেটের উপরের দিকটা অন্তত মাটির 3 মিটার নিচে থাকে। নিচের চিত্রে প্লেট আর্থিং এর নকশা দেখানাে হলাে। ঢালাই লােহার ঢাকনা



প্লেট আর্থিং এর নকশা। মাটির কত নিচে আর্থ প্লেট পুঁততে হবে তা নির্ভর করে সেখানকার মাটির প্রকৃতি কিরূপ তার উপর। এমন মাটিতে আর্থ প্লেট বসাতে হবে যেখানে মাটি সর্বদা ভিজা থাকে। তা না হলে প্লেটের চারপাশের মাটি শুকিয়ে গেলে আর্থিং নিরাপদ না হয়ে বিপদজনক হয়ে উঠে। সেজন্য প্রকৃতপক্ষে মাত্র একবার কোন বৈদ্যুতিক স্থাপনাকে আর্থ করেই নিশ্চিন্ত থাকা উচিত নয়। মাঝে মাঝে আর্থিং ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়ােজন। আর্থ প্লেট গর্তের ভিতর ভিজা মাটিতে দাঁড় করিয়ে তার চারদিকে কাঠকয়লা কিংবা কার্বনের টুকরা ঠেসে দিয়ে পানি।


ঢেলে তার উপর মাটি ভরাট করে দিতে হয়। অনেক সময় আবার শুধু পানি না দিয়ে লবণ গােলা পানি দেয়া হয়। এতে আর্থ রেজিস্ট্যান্স আরাে কমে যায়। প্রথমে আর্থের তারের একপ্রান্তে একটি সকেট ঢালাই করে দুটো লকনাটওয়ালা বােল্ট ও ওয়াশার দিয়ে সেই সকেটকে আর্থ প্লেটের সঙ্গে আটকাতে হবে । এর জন্য সকেট উপযুক্ত পরিমাণ লম্বা হওয়া প্রয়ােজন। যদি তামার পেট হয়। তবে নাট-বােল্ট, ওয়াশার সবকিছু তামার তৈরি হতে হবে আর আথ-প্রেট লােহার হলে আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশগুলাে গ্যালভানাইজড আয়রনের হতে হবে।


পরে আথ তারের অন্য প্রা অন্য হাতে এনে আথিং বসিবার বা মেইন সুইচ বাের্ডের সাথে ভাল করে এঁটে দিতে হবে। মেইন সুইচ বােডে যত লােহার কভারওয়ালা যন্ত্রপাতি সুইচ প্রভৃতি এবং নানা দিক যন্ত্রপাত সুইচ প্রভূতি এবং অন্যান্য ডিস্ট্রিবিউশন বাের্ডেও যত কিছু ঐ ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহাল করা হয়, তাদের সকলের সঙ্গে আর্থ তারের সংযােগ থাকবে।


আর্থ প্লেট বসাবার সময় প্লেটের চারধারে কাঠকয়লা আর লবণ একটার পর একটা স্তর করে দিতে হয়। প্লেটের গায়ের সঙ্গে লাগানাে স্তরটি কাঠ কয়লার থাকবে। এর উপরের স্তরটি থাকবে লবণের। প্রত্যেকটি স্তর প্রায় 15cm পুরু হবে। প্লেটের উপর থেকে সাধারণত দুটো গ্যালভানাইজড লােহার পাইপ উঠে আসে। একটি পাইপের ব্যাস 12.7mm। এ পাইপের মধ্য দিয়ে আর্থের তার মাটির প্রায় 60cm নিচ দিয়ে মেইন সুইচবাের্ড পর্যন্ত আনা হয়। অন্য পাইপটির ব্যাস 19.05 mm। এর উপরের মাথায় একটি ফানেল থাকে, আর ফানেলে মুখ এমনভাবে তারের জাল দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়।


যাতে অন্য কোন শক্ত জিনিস ভেতরে ঢুকে পাইপের মুখ বন্ধ করে ফেলতে না পারে। জালির উপর থেকে পানি ঢেলে আর্থের মাটি ভিজা রাখার জন্য এমন ব্যবস্থা করা হয়। ফানেল সমেত পাইপের উপরের মাথার চারদিকে 30cm x 30cm x 30cm মাপের ইটের চৌবাচ্চা গাঁথা থাকবে আর সে চৌবাচ্চার উপর। ঢালাই লােহার ফ্রেমের সঙ্গে এমন একটি দরজা থাকবে যেটা বন্ধ করে রাখতে হয়। যে রকমেরই আর্থ যােক তাকে ভিজা রাখার জন্য ফানেল দিয়ে মাঝে মাঝে তিন চার বালতি পানি গর্তের মধ্যে ঢেলে দিতে হয়।


পানির পাইপের সাহায্যে আর্থিং: যে সকল ক্ষেত্রে পানি সরবরাহের পাইপের সঙ্গে আর্থের তার সংযােগ করে আর্থিং করা হয় তাকে পানির পাইপের সাহায্যে আর্থিং বলে। পানি সরবরাহের পাইপের সঙ্গে আর্থের তার সংযােগ করার পূর্বে নিশ্চিতভাবে জেনে নেয়া দরকার পাইপের দৈর্ঘ্য বরাবর আগাগােড়া সমস্ত পাইপটাই গ্যালভানাইজড আয়রনের তৈরি কিনা। যদি পাইপের কোন। অংশ সিমেন্ট কংক্রিট দিয়ে তৈরি হয়। তবে আর্থ রেজিস্ট্যান্স বেশি হবে এবং আর্থিং সিস্টেম সন্তোষজনকভাবে কাজ করবে না।


পাইপের সঙ্গে আর্থের তার সংযােগ করার সময় দেখতে হবে সংযােগ স্থলের রেজিস্ট্যান্স যেন খুব কম থাকে। এ উদ্দেশ্যে বিশেষভাবে তৈরি আর্থিং ক্ল্যাম্প ব্যবহার করা উচিত। আর্থের তারে যদি একাধিক খেই (Strand) থাকে, তবে তারের যে প্রান্ত পাইপের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে সে প্রান্তে খেইগুলাে প্রথমে সােজা করে পাশাপাশি সাজিয়ে দিতে হবে। পরে খেইগুলাে রাং ঝালাই করলে তারের প্রান্ত বেশ শক্ত হবে। এবার সংযােগস্থলে যদি পাইপের উপরিভাগ সীসার পাত দিয়ে মুড়িয়ে দেয়া যায় তবে পাইপের উপর তারের প্রান্ত খুব ভালভাবে বসবে।


আর পাইপ ও তারের মধ্যে সংযােগও ঠিকমত হবে। অবশ্য সীসার পাত দিয়ে মুড়িয়ে দেয়ার পূর্বে পাইপের উপরিভাগ ভাল ভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে যাতে কোন রকম ধুলাবালি ময়লা বা গ্রিজ জাতীয় জিনিস সেখানে না থাকে। পরে আর্থিং ক্ল্যাম্প ও তারের প্রান্তের মধ্যে আরও সীসার পাতের প্যাকিং দিয়ে ক্রুগুলাে শক্তভাবে এঁটে দিলেই আর্থ কানেকশন সম্পূর্ণ হবে ।


পানির পাইপের সাহায্যে আর্থিং অনেক সময় পানির পাইপের সঙ্গে ক্ল্যাম্প এঁটে দিয়ে আর্থের তারের প্রান্ত ঐ ক্ল্যাম্পের গায়ে আঁটা থিম্বল (Thimble)। বা লাগ (Lug) এর সঙ্গে ঝালাই করে দেয়া হয়। পানির পাইপের সঙ্গে আর্থ তারের সংযােগ করার সময় নিম্নলিখিত নিয়ম মেনে চলতে হয়। যদি পানির পাইপ নিজের সম্পত্তি না হয়ে পৌরসভা, সিটি করপােরেশন কিংবা অন্য কারাে সম্পত্তি হয়, তবে তাদের। লিখিত অনুমতি বা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির সম্মতি ছাড়া সংযােগ করা চলবে না।

*

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post