একটি মােটর স্থাপনের পর যে সব টেস্ট করা হয় | Tests performed after Installation of a Motor

কোন বৈদ্যুতিক মােটর স্থাপনের পর যে সকল টেস্ট করা হয় মেগার টার্মিনালের একটি তার রানিং ওয়াইন্ডিং কয়েলের এক টার্মিনালে ও অন্য ভারটি স্টার্টিং ওয়াইন্ডিং কয়েলের এক টার্মিনালে। সংযােগপূর্বক জেনারেটর টাইপ মেগারের হাতল পূর্ণবেগে ঘুরাতে হবে। আর ইলেকট্রনিক টাইপ মেগার হলে সুইচ অন করতে হবে। মেগারের পয়েন্টার এক মেগাওহম (1 MCQ) এর বেশি রেজিস্ট্যান্স নির্দেশ করলে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্সের মান গ্রহণযােগ্য হবে ।সেগুলাে হলাে :


একটি মােটর স্থাপনের পর যে সব টেস্ট করা হয় | Tests performed after Installation of a Motor

কনটিনিউইটি টেস্ট (Continuity test)

ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্ট (Insulation Resistance test)

(i) দুটি কয়েলের মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্ট (Coil to Coil Insulation Resistance)

(ii) বডি ও কয়েলের মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্ট


শট সার্কিট টেস্ট (Short Circuit test)।

পােলারিটি টেস্ট (Polarity test)

প্রতি ফেজের রেজিস্ট্যান্স সমান কিনা তা যাচাই করা

প্রতি ফেজের কারেন্ট প্রবাহ সমান কিনা তা যাচাই করা

মােটরের ঘূর্ণনের দিক সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া

টেম্পারেচার টেস্ট (Temperature test)


মােটর টেস্ট করার পদ্ধতিসমূহ বর্ণনা করা হলাে :

• কনটিনিউইটি টেস্টকরণ (Continuity test)

পরিবাহীর কনটিনিউইটি টেস্ট: পরিবাহীর কনটিনিউইটি টেস্টের মূল উদ্দেশ্য দুটি। যথা :

পরিবাহী যে সম্পূর্ণ পথে নিরবচ্ছিন্নতা বজায় রেখে বিদ্যুৎ প্রবাহে সক্ষম সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া।

পরিবাহীর পরিবাহিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া।

নিম্নে চিত্রে পরিবাহীর কনটিনিউইটি টেস্ট করার পদ্ধতি দেখানাে হলাে:

একটি মােটর স্থাপনের পর যে সব টেস্ট করা হয় | Tests performed after Installation of a Motor

পরীক্ষার পূর্বে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়

(i) মেইন সুইচ অফ করে মেইন ফিউজগুলাে খুলে রাখতে হবে। নিশ্চিত হতে হবে যে সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন আছে ।

(ii) সার্কিটের অন্য ফিউজগুলাে লাগানাে থাকবে।

(iii) সকল সুইচ অফ’ অবস্থায় থাকবে।

(iv) লােডগুলাে লাগানাে থাকবে । এবার একেকটি কন্ডাক্টরের শেষ প্রান্তে এবং মেইন সুইচের L প্রান্তে ওহম মিটার দ্বারা পাঠ নিতে হবে। পরিবাহী ভাল থাকবে রেজিস্ট্যান্সের মান শূন্য বা তার চেয়ে সামান্য বেশি হবে আর যদি কোথাও ভাঙা, ছেড়া, বা কাটা থাকে তবে অসীম পাঠ দেখাবে।


যদি পরিবাহীর মান ভাল না হয় তবে রেজিস্ট্যান্সের মান বেশি দেখাবে। আবার কোন সংযােগ স্থলে যে অযথা অতিরিক্ত রেজিস্ট্যান্স সৃষ্টি হয় নি সেটা এ টেস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে

মােটরের কনটিনিউইটি টেস্ট (Continuity Test of a Motor):

এ পরীক্ষার জন্য কনটিনিউহটি টেস্টার অথবা ওহমমিটার বা মেগার ব্যবহার করা যায়। নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে মােটরের। কনটিনিউইটি টেস্ট করা যায়| মেহন সুইচ অফ করে মেইন ফিউজ খুলে ফেলতে হবে। | নাচর থ্রি ফেজ হলে ওহমমিটারের সাহায্যে ফেজ-টু- ফেজ রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে হবে। এ টেস্ট স্টাটারের আউটপুটের দিক হতে করতে হবে।


যদি কনটিনিউইটি থাকে তবে রেজিস্ট্যান্সের মান শূন্য বা তার কাছাকাছি পাওয়া যাবে আর যদি ইনফিনিটি বা অসীম মান পাওয়া যায় তবে কনটিনিউইটি ঠিক নাই বুঝাবে। একটির রি-ওয়াইন্ডিং এর কাজ শেষ হয়ে গেলে ভার্নিশ দেয়ার পূর্বে এবং পরে তার কয়েলগুলাের মধ্যে কনটিনিউইটি টেস্ট হয়। প্রধানত মেগার ইনসুলেশন টেস্টার ও অ্যাভােমিটার দিয়ে এ টেস্ট করা হয়। তবে মেগার দিয়ে টেস্ট করলে শুধু কনটিনিউইটি আছে কি নেই তা বুঝা যায় কিন্তু কয়েলের রেজিস্ট্যান্সের মান নির্ণয় করা যায় না। পক্ষান্তরে, অ্যাভােমিটার। টেস্ট করলে কয়েলের কনটিনিউইটি টেস্ট করা ছাড়াও রেজিস্ট্যান্সের মান জানা যায় ।।


আর্থ কনটিনিউইটি কন্ডাক্টরের রেজিস্ট্যান্স টেস্ট: 

আর্থ কনটিনিউইটি কন্ডাক্টরের বৈদ্যুতিক সংযােগ শুরু থেকে শেষপ্রান্ত পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন আছে কিনা এবং তার রেজিস্ট্যান্স এক ওহম (12) এর মধ্যে আছে কিনা, সেটি টেস্ট করার জন্য স্বল্প রােধ পরিমাপযােগ্য মেগার আর্থ টেস্টার ব্যবহার করা হয়। মেগারের আর্থ টার্মিনাল 'E' একটি আলাদা আর্থের সঙ্গে এবং লাইন টার্মিনাল 'L' বিভিন্ন স্থানে ধাতব অংশের সঙ্গে সংযোেগ করতে হবে। মেগারের ব্রিজ রেজিস্ট্যান্স বিন্যাস করে হাতল ঘুরালে ডায়ালের উপর কাটটির বিক্ষেপ রেজিস্ট্যান্সের মান নির্দেশ করবে। ঐ মান এক ওহমের কম হলে আর্থ কনটিনিউইটি কন্ডাক্টরের নিরবচ্ছিন্নতা এবং রেজিস্ট্যান্সের মান সঠিক আছে বলে বুঝতে হবে ।

একটি মােটর স্থাপনের পর যে সব টেস্ট করা হয় | Tests performed after Installation of a Motor

এছাড়া একটি ব্যাটারি এবং একটি অল্প ভােল্টের ল্যাম্পের সাহায্যেও মােটামুটিভাবে এই টেস্ট করা যায়। ব্যাটারির একটি টার্মিনাল আর্থের সঙ্গে এবং অপর টার্মিনাল ল্যাম্পের মাধ্যমে ওয়্যারিং এর বিভিন্ন ধাতব অংশের সংগে সংযােগ দেয়া হয়। ল্যাম্প উজ্জ্বলভাবে জ্বললে আর্থ তারের নিরবিচ্ছিন্নতা এবং স্বল্প রােধ দুই-ই প্রমাণিত হবে। আবার পাইপের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংযােগ অক্ষুন্ন আছে কিনা তা অ্যাভােমিটারের সাহায্যে টেস্ট করা যায়। অ্যাভােমিটারের টার্মিনাল দুটো জাংশন বক্সের দু'দিকে কভুইটের গায়ে ঠেকিয়ে উহার কনটিনিউইটি টেস্ট করা যায়।


সিঙ্গেল ফেজ ও থ্রি- ফেজ মােটরের কনটিনিউইটি টেস্টের চিত্র দেয়া হলাে:

একটি মােটর স্থাপনের পর যে সব টেস্ট করা হয় | Tests performed after Installation of a Motor

অ্যাভােমিটারের সাহায্যে মােটরের কনটিনিউইটি টেস্ট : নিম্নের পদক্ষেপগুলাে অনুসরণ করে এ টেস্ট করা হয়।

অ্যাভােমিটারের সিলেকটর নবকে লাে- রেঞ্জ (x1) ohm এ রেখে রানিং কয়েলের দু টার্মিনালের মাঝে রেজিস্ট্যান্স মাপতে হবে। মিটারে রেজিস্ট্যান্স পাঠ পাওয়ার গেলে রানিং কয়েল ঠিক আছে বলে ধরে নেয়া যায়।

একইভাবে স্টাটিং কয়েলের দু টার্মিনালের মাঝে রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে হয়। মিটারের রেজিস্ট্যান্সের পাঠ পাওয়া। গেলে স্টার্টিং কয়েল ঠিক আছে বলে ধরে নেয়া যাবে।

রেগুলেটিং কয়েলের দুই প্রান্তেও রেজিস্ট্যান্স মাপতে হবে। মিটারে রেজিস্ট্যান্সের মান পাওয়া গেলে রেগুলেটিং কয়েল ঠিক আছে বলে বিবেচনা করা যাবে।


মেগার ইনসুলেশন টেস্টারের সাহায্যে মােটরের কনটিনিউইটি টেস্ট : এ ক্ষেত্রে মেগারের লাইন টার্মিনাল যে কোন একটি কয়েলের মাথায় এবং আর্থ টার্মিনালটি মােটরের বের হওয়া টামিনাল স্পর্শ করে মেগারের হাতল ঘুরালে যদি বিক্ষেপণ পয়েন্টার ‘0' এর দিকে যায় বা 0' নির্দেশ করে তবে বুঝতে হবে ঐ কয়েলের কনটিনিউইটি ঠিক আছে। এখানে যে কয়েলটি স্পর্শ করলে পয়েন্টার '0' তে যাবে, সেটিই মােটরের একক কয়েল বলে বিবেচিত হবে। আর যদি ডিফ্লেকশন। পয়েন্টার নড়াচড়া না করে। তাহলে বুঝতে হবে কন্টিনিউইটি ঠিক নেই।


ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্ট (Insulation resistance test) ; মােটরের দুই কয়েলের মধ্যে (Coil to Coil) এবং যে কোন কয়েল ও বডির মধ্যে (Coil to body) ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্সের মান কত, তা জানার জন্য নিরে দু’পদ্ধতিতে টেস্ট করা হয়। দু’টি কয়েলের মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্ট (Coil. to Coil Insulation Resistance Test) :


প্রথমে মেগারের লাইন টার্মিনালে একটি এবং আর্থ টার্মিনালে একটি তার বা লিড সংযােগপূর্বক তাদের প্রাত খােলা অবস্থায় জেনারেটর টাইপ মেগারের হাতল পূর্ণ বেগে ঘুরাতে হবে। আর ইলেকট্রনিক মেগার হলে সুইচ অন করতে হবে। মিটারের পয়েন্টার অসীম নির্দেশ করলে এবং তার দুটোর খােলা প্রান্ত শর্টেড় অবস্থায় শূন্য নির্দেশ করলে বুঝা যাবে মেগার ভাল আছে।


• মেগার টার্মিনালের একটি তার প্রথম ফেজের

🅐 এক টার্মিনালে, অনুরূপভাবে দ্বিতীয় ফেজের

🅑 এক ঢামিনালএক টার্মিনালে সংযােগপূর্বক তাদের মাঝে রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে হবে। প্রত্যেক ক্ষেত্রে রেজিস্ট্যান্স এক মেগাওহম (1 MCQ) এর চেয়ে বেশি হলে ওয়াইন্ডিং সঠিক আছে বলে ধরে নেয়া যাব।


◙ সিঙ্গেল ফেজ মােটরের ফেজ-টু-বডি ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্ট পদ্ধতি
• মেগার টার্মিনালের একটি তার রানিং ওয়াইন্ডিং কয়েলের এক টার্মিনালে ও অন্য ভারটি স্টার্টিং ওয়াইন্ডিং কয়েলের এক টার্মিনালে। সংযােগপূর্বক জেনারেটর টাইপ মেগারের হাতল পূর্ণবেগে ঘুরাতে হবে। আর ইলেকট্রনিক টাইপ মেগার হলে সুইচ অন করতে হবে। মেগারের পয়েন্টার এক মেগাওহম (1 MCQ) এর বেশি রেজিস্ট্যান্স নির্দেশ করলে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্সের মান গ্রহণযােগ্য হবে।
মেগারের লাইন টার্মিনাল ও আর্থ টার্মিনালে তার বা কানেকটিং লিড সংযােগ করে মেগারের সঠিকতা যাচাই করে।

নিতে হবে।


মেগারের আর্থ টার্মিনালকে মােটরের বডির সাথে এবং লাইন টার্মিনালকে একটি ফেজের টার্মিনালে সংযােগ করে। রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে হবে। এভাবে তিনবার তিনটি ফেজের টার্মিনালে মেগারের লাইন টার্মিনাল সংযােগপূর্বক রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে হবে। পরিমাপকৃত রেজিস্ট্যান্সের মান এক মেগাওহম (1 MCQ) এর বেশি হলে ওয়াইন্ডিং সঠিক আছে বলে ধরা যাবে।


সিঙ্গেল ফেজ মােটরের বেলায় মেগারের লাইন টার্মিনালকে চিত্রানুযায়ী ওয়াইন্ডিং এর এক প্রান্ত ভালভাবে ইনসুলেটেড থাকতে হবে। এমতাবস্থায় পরিমাপকত রেজিস্ট্যান্সের মান এক মেগাওহম (1M2) এর বেশি হলে তা গ্রাহযােগ্য হবে।

মেগারের লাইন টার্মিনালকে রানিং ওয়াইল্ডিং এর এক প্রান্তে এবং আর্থ টার্মিনালকে স্টেটর কোরে সংযােগপর্ব রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে হবে। এসময় যথারীতি কয়েলের অপর প্রান্ত ভালভাবে ইনসুলেটেড় থাকতে হবে । এমতাবস্থায় পরিমাপকত রেজিস্ট্যান্সের মান এক মেগাওহম এর বেশি হলে তা গ্রহণযােগ্য হবে।


মেশিন যদি আর্থ করা থাকে, তবে প্রথমেই মেগারের একটি প্রান্ত আর্থ তারের সাথে সংযুক্ত করে অন্য প্রান্ত হতে আর এক গাছা তার নিয়ে তা মেশিন টার্মিনাল বক্সের প্রান্তগুলাের সাথে ভালভাবে সংযুক্ত করে নিতে হবে। অতঃপর মেগারের হাতলে টুর্ণ গতিতে ঘুরালে বিক্ষেপণ পয়েন্টার মেশিনের ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্সের মান নির্দেশ করবে। বৈদ্যুতিক আইন অনুযায়ী সে কোন স্থাপনা বা যন্ত্রের সর্বোচ্চ লিকেজ কারেন্টের পরিমাণ তার ফুল লােড কারেন্টের পাঁচ হাজার ভাগের এক ভাগের সমান।


মেশিনের টার্মিনাল ভােল্টেজকে নির্ণিত সর্বোচ্চ লিকেজ কারেন্ট দ্বারা ভাগ করলে ঐ মেশিনের ন্যূনতম ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্সের মান পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি 200 ভােল্টের ডিসি মােটর ফুল লােডে 5 অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট গ্রহণ করে। কাজেই মােটরটির সর্বোচ্চ লিকেজ কারেন্ট =5 / 5000 = 0.001 অ্যাম্পিয়ার। সুতরাং উক্ত মােটরের ন্যূনতম ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স =200/0.001= 0.2 M.Ohm হওয়া উচিত। পরীক্ষার সময় মেগারের পয়েন্টার যদি তার চেয়ে কম দেখায় তাহলে উক্ত মেশিন ব্যবহার করা চলবে না।



◙ শট সার্কিট টেস্ট (Short circuit test) : শট সার্কিট টেস্ট কনটিনিউইটি টেস্টেরই এক বিশেষ অবস্থা। যেখানে সংযােগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকা উচিত নয় কিংবা ফিল্ড ও আর্মেচার কয়েলের ক্ষেত্রে যেখানে সংযােগও নিরবচ্ছিন্ন থাকবে অনেক তারের ভেতর দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হয় বলে বেশি উজ্জলভাবে জ্বলবে না, সেখানে যদি একটি কয়েলের সাথে অন্য একটি কয়েলের অথবা ইনসুলেশন ছিড়ে গিয়ে একটি তারের সাথে অন্য একটি তারের সংযােগ ঘটে, তবে ঐ অংশে শর্ট সার্কিট হওয়ার জন্য কারেন্ট সমস্ত তারের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত না হয়ে শর্ট সার্কিটের মধ্য দিয়ে সােজা রাস্তায় প্রবাহিত হবে।


এতে সার্কিটের রেজিস্ট্যান্স কম হবে, আর বাতি উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে। এক্ষেত্রে টেস্ট বাতির দুটি তার ফিল্ড কয়েলের দুই প্রান্তে ঠেকালে যদি আলাে অতি অল্প জ্বলে কিংবা বাতির ফিলামেন্ট কেবলমাত্র লাল হয়, তবে বুঝতে হবে কয়েল ভাল আছে। আর যদি বাতি খুব উজ্জ্বলভাবে জুলে, তবে বুঝতে হবে কয়েলের ভেতরে শর্ট সার্কিট আছে।

একটি মােটর স্থাপনের পর যে সব টেস্ট করা হয় | Tests performed after Installation of a Motor
◙ ফিল্ড কয়েলের শর্ট সার্কিট টেস্ট আর্মেচার কয়েলের শর্ট সার্কিট টেস্ট : এক্ষেত্রে টেস্ট বাতির তার পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ক্যুটেটর সেগমেন্টে ঠেকাতে হবে। যে কয়েলে শর্ট সার্কিট আছে সে কয়েলের লুপ দুটির সাথে টেস্ট বাতির তার ঠেকালেই আলাে উজ্জ্বলভাবে জ্বলে। উঠবে । আর যে কয়েলগুলােতে শর্ট সার্কিট নেই, তাদের প্রান্তের সাথে টেস্ট বাতির তার সংযুক্ত হলে আলাে অল্প হবে আর । বাতি একই রকমভাবে জ্ববে ।


আর্মেচার কয়েলের শট সার্কিট টেস্ট বাতির পরিবর্তে এ পরীক্ষাটি ড্রাই সেল এবং বৈদ্যুতিক ঘণ্টার সাহায্যেও করা চলে। বাতি সেখানে উজ্জ্বলভাবে জ্বলে, সেখানে জোরে বাজবে আর বাতির আলাে যেখানে কম থাকে, ঘন্টা সেখানে আস্তে বাজবে।


এক্সপ্লোরিং কয়েল দ্বারা স্টেটর কয়েলের শর্ট সার্কিট টেস্ট :

একটি মােটর স্থাপনের পর যে সব টেস্ট করা হয় | Tests performed after Installation of a Motor

কয়েলের মধ্যে কোন শর্ট সার্কিট আছে কিনা, তা পরীক্ষা করার জন্য এক্সপ্লোরিং কয়েল দ্বারা প্রতিটি স্লট পরীক্ষা করতে হবে। এক্সপ্লোরিং কয়েলে লাে ভােল্টেজ এসি সাপ্লাই দিয়ে কয়েল কোরের দু প্রান্তে স্লটের দুই পাশে স্থাপন করা হলে স্লটের কয়েল ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারিং কয়েলের ন্যায় আচরণ করে। কয়েলের মধ্যে শর্ট সার্কিট ক্রটি থাকলে এক্সপ্লোরিং কয়েল বেশি কারেন্ট গ্রহণ করে এবং মােটরের কয়েল উত্তপ্ত হয়।

*

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post