ট্রান্সফরমার টেস্ট How to test Electrical transformer

ডাই ইলেকট্রক টেস্ট (Dielectric test) ; হাই ভােল্টেজ অ্যাপারেটাসের বেসিক ইনসুলেশন লেভেল । বালকটিক স্ট্রেংথের বিপক্ষে কাজ করে একে ডাই-ইলেকট্রিক স্ট্রেংথ বলে। বেসিক ইনসুলেশন লেভেল বলতে কোন পাতির দুটি ওয়েভ একটি সাইনুসয়াল ওয়েভ এবং অপরটি একমুখী ইম্পালস এবং বিপরীতে কাজ করা বুঝায়।

ট্রান্সফরমার টেস্ট How to test Electrical transformer


ইম্পালস ভােল্টেজ উইথস্ট্যান্ড টেস্ট : এ টেস্ট করার সময় একমুখী হাই ভােল্টেজ ডিসি প্রয়ােগ করা হয়। এ টেস্ট ইনডাের এবং আউটডাের প্রত্যেক ধরনের ট্রান্সফরমারে করা হয় কিন্তু যে সকল ট্রান্সফরমার বায়ুমণ্ডলে খােলা অবস্থায় থাকে সে সকল ক্ষেত্রে এ টেস্ট করা যায় না। এখানে প্রযুক্ত ওয়েভ মাল্টিস্টেজ জেনারেটরের মাধ্যমে উৎপন্ন করা হয় যে গুলাে সর্বোচ্চ 900KV পর্যন্ত ভােল্টেজ উৎপন্ন করে থাকে। এ ধরনের টেস্ট সুইচগিয়ার পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত হয়। এ টেস্টের মাধ্যমে একটি ট্রান্সফরমারের টেস্ট করার পর ঐ ফলাফল একই রকম অন্যান্য ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হবে।

ভােল্টেজের বিপরীতে পাওয়ার ফ্রিকুয়েন্সি : ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের সুইচিং ক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত ভােল্টেজ ও পাওয়ার ফ্রিকুয়েন্সি সার্জের কারণের জন্য এ টেস্ট করা হয়। প্রতি এক মিনিট ধাপ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে হাই ভােল্টেজ প্রযুক্ত হয়। এবং ট্রান্সফরমার অবশ্যই পূর্ব নির্ধারিত ভােল্টেজ এক টেস্টের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করে।

ট্রান্সফরমার অয়েলের ডাই-ইলেকট্রিক স্ট্রেংথ পরীক্ষা : তেলের অবস্থা জানার জন্য তেলের ব্রেক ডাউন টেস্ট সর্বাধিক বিশ্বাসযােগ্য টেস্ট। জলীয় কণার উপস্থিতিতে ট্রান্সফরমার তেলের ব্রেকডাউন স্ট্রেংথ খুব বেশি কমে যায়। তেলে জলীয় কণা উপস্থিত থাকলে প্রয়ােজনে তেল ছাঁকলে অথবা তাপ প্রয়ােগ করে জলীয় কণা দূর করা যায় । ব্রেক ডাউন ভ্যালু টেস্ট করার জন্য পালিশ করা 13 মিলিমিটার ব্যাস বিশিষ্ট দুটো গােলক 4 মিমি দূরত্বে একটি সেলে স্থাপন করা হয় । 33KV ট্রান্সফরমারের জন্য ব্রেক ডাউন ভােল্টেজের সর্বনিম্ন মান এক মিনিটে 300KV এবং এর থেকে বেশি রেটিং এর ট্রান্সফরমারের জন্য BDV এর সর্বনিম্ন মান একই মিনিটে 40KV হবে।

অয়েল টেস্টিং ইকুইপমেন্ট ব্রেক ডাউন ভােল্টেজ টেম্পারেচার বৃদ্ধির সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পায়।


(৫) কনটিনিউইটি টেস্ট : ট্রান্সফরমার এনাজাইজ করার পূর্বে ট্রান্সফরমারের প্রথমার টার্মিনালের দুই প্রান্তে ওহম মিটারের। দুই টার্মিনাল সংযুক্ত করলে ডায়ালে রিডিং পাওয়া যাবে। যদি রেজিস্ট্যান্স শূন্য বা তার কাছাকাছি মানের হয় তবে কয়েলের কনটিনিউইটি ঠিক আছে। এ ভাবে প্রতিটি কয়েলের কনটিনিউইটি টেস্ট করা যাবে। যদি রিডিং অসীম (Intime পাওয়া যায় তবে বুঝতে হবে কয়েলের কনটিনিউইটি ঠিক নেই। একইভাবে দ্বিতীয়বার সকল কয়েল আলাদা আলাদাভাবে। টেস্ট করা যাবে। উচ্চ ভােল্টের মেগার ইনসলেশন টেস্টারের সাহায্যে ট্রান্সফরমার উইন্ডিং এর কনটিনিউইটি টেস্ট করা যায় ।


(৬) আর্থ রেজিস্ট্যান্স টেস্ট : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে আর্থ ইলেকট্রোডের রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করা হয়। এ ইনস্টমেন্টটি বস্তুত একটি ওহম মিটার ও একটি ডিসি মােটরের সম্বয়ে গঠিত। জেনারেটর ঘুরানাের জন্য বাইরের। দিকে একটি হাতল থাকে। আর্থ টেস্টারের তিনটি স্পাইক যুক্ত করে তিনটি টার্মিনাল, E P ও C কে 20 25 মিটার। দূরে দূরে পুঁতে হাতলকে জোরে জোরে ঘুরালে মেগার আথ টেস্টারে রিভিং পাওয়া। জোরে জোরে ঘুরালে মেগার আর্থ টেস্টারে রিডিং পাওয়া যাবে। স্পাইকগুলােকে 1.5 হতে 2 মিটার দূরে সরিয়ে পুঁতে আরাে দুবার রিডিং নিয়ে দূরের রিডিংগুলাের গড় করা হলে আর্থ ইলেকট্রোডের আর্থ রেজিস্ট্যান্সের মান পাওয়া যাবে।


আর্থ কনটিনিউইটি কন্ডাক্টরের রেজিস্ট্যান্স টেস্ট : আর্থ কনটিনিউইটি কন্ডাক্টরের বৈদ্যুতিক সংযােগ আগাগোড়া অন্য আছে কিনা এবং তার রেজিস্ট্যান্স এক ওহমের মধ্যে আছে কিনা তা টেস্ট করার জন্য ব্রিজ মেগার ব্যবহার করা হয় নি। চিত্রে এ টেস্টের সার্কিট ডায়াগ্রাম দেখানাে হলাে


মেগারের আর্থ টার্মিনাল ‘E' একটি আলাদা আর্থের সঙ্গে এবং লাইন টার্মিনাল ‘L বিভিন্ন স্থানে ধাতব অংশের সঙ্গে সংযােগ। করতে হবে। মেগারের ব্রিজ রেজিস্ট্যান্স সংবিন্যাস করে হাতল ঘুরালে ডায়ালের উপর কাঁটাটি রেজিস্ট্যান্সের মান নির্দেশ করবে। ঐ মান এক ওহমের কম হলে আর্থ কনটিনিউইটি কন্ডাক্টরের কনটিনিউইটি এবং রেজিস্ট্যান্সের মান ঠিক আছে বুঝতে হবে। এছাড়া একটি ব্যাটারি এবং একটি অল্প ভােল্টেজের ল্যাম্পের সাহয্যেও মােটামুটিভাবে এ টেস্ট করা হয়। ব্যাটারির একটি টার্মিনাল আর্থের সঙ্গে এবং অপর টার্মিনাল ল্যাম্পের মাধ্যমে ওয়্যারিং এর বিভিন্ন ধাতব অংশের সংগে সংযােগ করা হয়।


ল্যাম্প উজ্জ্বলভাবে জ্বললে আর্থ তারের নিরবিচ্ছিন্নতা এবং স্বল্প রােধ দুই-ই প্রমাণিত হবে। আবার কভুইট ওয়্যারিং এর জাংশণ বক্সের বিভিন্ন দিকে কভুইট পাইপের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংযােগ অক্ষুন্ন আছে কিনা তা অ্যাভােমিটারের টার্মিনাল দুটো জাংশন বক্সের দুই দিকে কভুইটের গায়ে ঠেকিয়ে এর কনটিনিউইটি দেখা হয়। ইনস্পেকশন সমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিয়ে প্রদত্ত হলাে :

বুখলজ রিলে : ট্রান্সফরমারের বুখলজ রিলে সঠিক অবস্থানে আছে কিনা তা পর্যক্ষেণ করে দেখতে হবে । ট্রান্সফরমার তেল কমে গেলে বুখলজ রিলের মাধ্যমে অ্যালার্ম বেজে উঠে। বুখলজ রিলেতে কোন ত্রুটি দেখা দিলে তা ত্রুটিমুক্ত করতে হবে।


তেলের লেভেল : যে সব ট্রান্সফরমারে বুখলজ রিলে লাগানাে থাকে সে সব ট্রান্সফরমারে তেল কমে গেলে অ্যালার্ম বেজে উঠবে আর যেখানে বুখলজ রিলে থাকে না কিন্তু অয়েল লেভেল ইন্ডিকেটর লাগানাে থাকে তার লেভেল দেখে তেলের লেভেল ঠিক আছে কিনা তা জানা যায়। তেল কমে গেলে আরও তেল ভর্তি করে সমস্যা দূর করা যাবে।

ফ্যান ও পাম্প : ট্রান্সফরমারের কুলিং এর জন্য কুলিং ফ্যান লাগানাে আছে কিনা, থাকলে তা চলে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। তাছাড়া ওয়াটার কুলড বা অয়েল কুলড ট্রান্সফরমারের পাম্প চলে কিনা তাও দেখতে হবে। পাম্প না চললে। ট্রান্সফরমার ঠাণ্ডাকরণ প্রক্রিয়ায় অসুবিধা হতে পারে।


সিলিকা জেলের রং পর্যবেক্ষণ : ট্রান্সফরমার ইনস্পেকশনের সময় সিলিকা জেলের নং পর্যবেক্ষণ করা হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় সিলিকা জেলের রং ধুসর বর্ণের থাকে কিন্তু যদি তা জলীয় বাষ্প শােষণ করে কর্মদক্ষতা হারায় তবে তা বাদামি রং ধারণ করে। ব্রিদার হতে সিলিকা জেল বের করে তাপ দিলে জলীয় কণা বাইরে বের হয়ে যায় এবং আবার ধুসর বর্ণ ধারণ। করে। এতে বুঝা যায় সিলিকা জেল পুনরায় ব্যবহার উপযােগী হয়েছে।

MCB এর রেটিং : কারেন্ট রেটিং : 5, 10, 15, 20, 30, 40, 50, 60 Amp. তাছাড়া : 0.5, 1.0, 2.0, 2.5, 3.0, 3.5, 6.0, 7.5, 8, 10, 12, 25, 35, 45, 55 Amp.

ভােল্টেজ রেটিং : 240V/415 V AC; 50v/11V DC


পরিবাহীর রেজিস্ট্যান্স এবং ইনস্যুলেশন রেজিস্ট্যান্স এর পার্থক্য: আনসালেশন বেজিস্ট্যান্স হলাে বৈদ্যতিক স্থাপনার পরিবাহী এবং পরিবাহীর আবরণের (ইনসুলেশন) উপরিভাল বৈদ্যতিক বাধা অথবা দুই পরিবাহীর মধ্যবর্তী ইনসুলেশনের বৈদ্যুতিক বাধা। পরিবাহী ও আর্থের মধ্যে রেজিস্ট্যান্স এর ক্ষেত্রে আর্থ বলতে মেটাল কভার্ড ওয়ারিং বা কভুইট ওয়্যারিং এর আবরণ এর ধাতব অংশ ৰা কষ্ট বুঝায়, যাকে আর্থের সংগে সংযুক্ত করা থাকে।


পরিবাহীর রেজিস্ট্যান্স হলাে কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের মধ্যে বৈদ্যুতিক বাধা। পরিবাহীর জন্য এই রেজিস্ট্যান্স খুবই নগন্য। তা না হলে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্ত হবে এবং বিভিন্ন ধরনের বিপত্তি দেখা দিবে। পরিবাহীর রেজিস্ট্যান্স খুবই নিম্ন মানের (Low Resistance) এবং তা প্রকাশ করা হয় মিলিওহম (m2) বা ওহমে (2) । অপরপক্ষে ইনস্যুলেশন রেজিস্ট্যান্স খুবই উচ্চমানের (High Resistance) এবং তা প্রকাশ করা হয় মেগা ওহমে (M2) । ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স ও কন্ডাক্টরের রেজিস্ট্যান্স টেস্ট এর পদ্ধতি চিত্রে দেখানাে হয়েছে।  পরিবাহী AB এর রেজিস্ট্যান্স নির্ণয় করা হয় পরিবাহীর দুই প্রান্তের মধ্যের রেজিস্ট্যান্স নির্ণয় করে। পরিবাহীর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় আর্থ রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পাওয়া।


R = পরিবাহীর মােট রােধ (Resistance),

p = পরিবাহী পদার্থের আপেক্ষিক রােধ (Resistivity),

l = পরিবাহীর দৈর্ঘ্য (Length),


ইলেকট্রিক্যাল মেশিনের ওয়াইন্ডিং এর পরীক্ষা পদ্ধতি- Winding of Electrical Machine: কোন ইলেকট্রিক্যাল মেশিনের ওয়াইন্ডিং ত্রুটিমুক্ত আছে কিনা তা জানার জন্য নিলিখিত পরীক্ষাসমূহ করতে হয়। যথা: রাউন্ডিং/বডি টেস্ট (Grounding/Body test) ।


কনটিনিউইটি টেস্ট (Continuity test)

কয়েলের মধ্যে শট সার্কিট টেস্ট (Short Circuit test within the Coil)। কয়েল গ্রুপের শট সার্কিট টেস্ট (Short Circuit test within the Coil group) । রিভার্স কয়েল গ্রুপ টেস্ট (Reverse Coil group test).

রিভার্স পােল ফেজ গ্রুপ টেস্ট (Reverse Pole Phase group test)

রিভার্স ফেজ গ্রুপ টেস্ট (Reverse Phase group test)

গ্রাউন্ডিং/বডি টেস্ট (Grounding/Body Test) : সাধারণত নতুন ওয়াইন্ডিং এর ক্ষেত্রে গ্রাউন্ড বা বডি বেশি হয়ে থাকে। পুরাতন মেশিনের ক্ষেত্রে ঘষা লাগা বা অনুরূপ কারণে। ওয়াইন্ডিং গ্রাউন্ড হয়ে থাকে। স্লটে কয়েল বসানাের পর অ্যাডভােমিটার বা টেস্ট ল্যাম্পের সাহায্যে প্রতিটি কয়েলের গ্রাউন্ড। ফল্ট টেস্ট করতে হয়। কয়েল ও বডির মধ্যে রেজিস্টেন্স অসীম থাকলে মেশিন বডি হয় নেই বলে বুঝতে হবে, আর । রেজিস্টেন্স শূন্য (0) বা তার কাছাকাছি হলে মেশিনটি গ্রাউন্ড বা বডি হয়েছে বলে বুঝতে হবে।


কনটিনিউইটি টেস্ট (Continuity Test) : কয়েলগুলাে স্লটে বসানাে শেষে প্রতিটি কয়েলের কনটিনিউইটি টেস্ট করে দেখতে হয়। এ টেস্ট করার জন্য টেস্ট ল্যাম্প অথবা অ্যাভােমিটার ব্যবহার করা হয়। কয়েলসমূহের সংযােগ শেষ হবার পর দ্বিতীয় দফায় আবার কনটিনিউইটি টেস্ট করা হয়।


কয়েলের মধ্যে শর্ট সার্কিট টেস্ট (Short Circuit Test wihtin a Coil). কয়েলের পরিবাহীর নিজেদের মধ্যে বা দুই স্তর ওয়াইন্ডিং এর ক্ষেত্রে খাজের মধ্যে কয়েল বসানাের সময় অতিরিক্ত চাপে শর্ট সার্কিট হতে পারে। শর্ট সার্কিটের ফলে কয়েলের মধ্যে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এ ধরনের ত্রুটি এক্সপ্লোরিং কয়েল দ্বারা। নিরূপণ করা যায়। এক্সপ্লোরিং কয়েলকে এক্সাইটেড করার জন্য সমান্য এসি দেয়া হয় যা ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং এর মত কাজ করে । এক্সপ্লোরিং কয়েলকে ওয়াইন্ডিং এর প্রতিটি কয়েলের উপর ঘুরানাে হয়। কোন কয়েলে শর্ট সার্কিট থাকলে সে স্থানে বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হবে, ফলে কয়েল বেশি উত্তপ্ত হবে। ফলে শর্ট সার্কিট যুক্ত কয়েলটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।


কয়েল গ্রুপের শর্ট সার্কিট টেস্ট (Short Circuit Test within the Coil Group): মােটরের ওয়াইন্ডিং করার সময় পার্শ্ববর্তী দুটি কয়েল গ্রুপ একই খাঁজে পড়ে আবার দ্বি-স্তর ওয়াইন্ডিং-এর ক্ষেত্রেও একটি খাজে দুটি কয়েল গ্রুপ স্থাপন করার সময় দুটি কয়েল গ্রুপের মধ্যে শট সার্কিট হতে পারে। অ্যাভাে মিটারে সাহায্যে এ টেস্ট সম্পন্ন করা যায়।


রিভার্স কয়েল গ্রুপ টেস্ট (Reverse coil Group Test) : একটি কয়েলের শেষ প্রান্তের সঙ্গে অপর কয়েলের শুরু প্রান্ত সংযােগের মাধ্যমে কয়েল গ্রুপ তৈরি করা হয়। সংযােগের সময় যদি ভুলবশত অনুরূপ না হয়ে ভিন্নতর হয় তবে কয়েলে ত্রুটি দেখা যায়। কম্পাস পদ্ধতিতে এ ক্রটি নির্ণয় করা যায়। এ পদ্ধতিতে ওয়াইন্ডিং এ লাে-ভােল্টেজ ডিসি সরবরাহ দিয়ে ওয়াইন্ডিং এর উপর কাটা কম্পাস ধীরে ধীরে সরিয়ে পরীক্ষা করতে হয়। যেখানে কম্পাসের কাটা উল্টাদিকে বিক্ষেপ দেয় সেখানে রিভার্স কয়েল সংযােগ হয়েছে বলে। অবস্থায় কয়েলের সংযােগ খুলে সঠিক সংযােগ দিতে হবে।


রিভার্স পােল ফেজ গ্রুপ টেস্ট (Reverse Pole Phase Group Test) : এ ক্রটিকে রিভার্স পেপাল ফেজ গ্রুপিং বলা হয় । এ ত্রুটির কারণে মােটরের গতি কম্পিত হয় এবং অপরাপর ফেজসমূহ অতিরিক্ত গরম হয়। এ ত্রুটি নিরূপণের জন্য কম্পাস। পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।


রিভার্স ফেজ গ্রুপ টেস্ট (Reverse Phase Grorup Test) : তিনফেজ মােটরের সংযােগ স্টার বা ডেল্টাতে হয়। স্টার সংযোগ তিনাকেজের শেষ প্রান্তগুলো একত্রে সংযােগ করে নিউটাল পয়েন্ট বের করা হয় এবং শুরুর টার্মিনাল তিনটি তিনফেজ সরবরাহের জন্য কিন্তু এক্ষেত্রে এক ফেজের শুরু প্রান্ত যখন অন্য ফেজের শেষ প্রান্তে যুক্ত হয় তখন রিভার্স ফেজ গঠিত হয়। আবার তিন ফেজ ডেল্টা সংযুক্ত মােটরের ক্ষেত্রে একফেজের শুক অপর ফেজের শেষ প্রান্তে সংযােগ করতে হয় কিন্তু এরূপ না হলে ব্রিভাস ফেজ ক্রটি সংগঠিত হয়। এর ফলে মােটরের গতি মোটর কর্কশ শব্দ করে এবং অল্প সময়ের মধ্যে মােটর গরম হয়ে ওঠে। কম্পাস পদ্ধতিতে এ ক্রটি নিরূপণ করা যায়।

*

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post